45% ছাড় !

দাওয়াত ও তাবলীগ : উসূল ও আদাব

৳ 220.00 ৳ 120.00

দাওয়াতের দুটি পদ্ধতি
আল্লাহর দিকে দাওয়াতের দুটি পদ্ধতি রয়েছেঃ-
এক. কথার মাধ্যমে
দুই. কাজের মাধ্যমে

দ্বিতীয় পদ্ধতিটি আবার দুই ভাগে বিভক্ত।
এক. বয়ান-বক্তৃতার মাধ্যমে
দুই. লেখার মাধ্যমে
একটির সম্পর্ক যবানের সঙ্গে, আরেকটির সম্পর্ক কলমের সঙ্গে। সুতরাং দাওয়াতের কাজ যে মাধ্যমেই করা হোক না কেন, দায়ীর ভাষা সাহিত্যের মানে উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি। প্রথমে তার মাতৃভাষা ও তার সমাজের পরিভাষা সম্পর্কে তাকে প্রাজ্ঞ হতে হবে। চাই তার মাতৃভাষা যাই হোক না কেন। কারণ সে যদি নিজের এলাকার মানুষকে মাতৃভাষায় দীনের দাওয়াত দেয়, তাহলে তা বেশি কার্যকর হবে। পক্ষান্তরে কোনো ভিন্নভাষী যদি ভিন্ন ভাষায় দাওয়াতের কাজ করে, তাহলে তা এতটা কার্যকর ও প্রতিক্রিয়াশীল হবে না। যেমন ধরুন, আমি যদি ‘চাতরাল’ গিয়ে আমার ভাষায় ওয়াজ করি, তাহলে আস্থা ও মুহাব্বতের কারণে হয়তো বা মানুষ আমার ওয়াজ শুনবে এবং আমার প্রতি তারা ভক্তি-শ্রদ্ধাও প্রদর্শন করবে, কিন্তু তাতে ঐ রকম প্রভাব পড়বে না, যা ঐ ভাষাভাষী একজনের ওয়াজে হবে। তাই প্রত্যেক দায়ীর কর্তব্য হল, তার মাতৃভাষা ও সাহিত্যে পাণ্ডিত্ব অর্জন করা।
দাওয়াতের আরেকটি মাধ্যম হল লেখা। তাই একজন দায়ীর লেখা খুব পরিস্কার ও সুন্দর হওয়া চাই এবং নিয়ম-নীতি অনুযায়ী হওয়া চাই। লেখার সাহিত্যমানও উচ্চাঙ্গের হওয়া চাই। দায়ীর লেখা যদি অসুন্দর ও অশুদ্ধ হয়, তাহলে প্রথমেই পাঠক তাতে বিরক্ত হবে। সে ভাববে, যার লেখাই বিশুদ্ধ নয়, সে আবার আমাকে কি শিখাবে। তাই লেখা সুন্দর করাও দায়ীর অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “দাওয়াত ও তাবলীগ : উসূল ও আদাব”