খুতুবাতে যুলফিকার-৩২ (উলামায়ে কেরামের বাইআত ও সুহবতের প্রয়োজনীয়তা)

লেখক শায়খ যুলফিকার আহমদ নকশবন্দি হাফিযাহুল্লাহ

সম্পাদক ড. মোঃ আব্দুল মান্নান

প্রকাশক মাকতাবাতুল আযহার

পৃষ্ঠা সংখ্যা ২০৮

মুদ্রিত মুল্য ৳ ২০০.০০

ছাড়ে মুল্য ৳ ১২০.০০(-40% Off)

রেটিং

ক্যাটাগরি দাওয়াত-তাবলীগ, আলোচনা ও ওয়াজ

উলামায়ে কেরামের দায়িত্বও এটাই যে, তাঁরা দ্বীনের রক্ষক হবেন। কাজেই দায়িত্ব হিসেবে উলামায়ে কেরামের মর্যাদা আল্লাহর নিকট অধিক। স্মরণ রাখতে হবে যে, সূফীগণ অপেক্ষা উলামায়ে কেরামের খেদমতের দায়িত্ব অধিক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, উলামায়ে কেরাম হলেন দ্বীনের সংরক্ষণকারী। উলামায়ে কেরাম যদি না থাকেন তাহলে দ্বীনই থাকবে না। আর যখন দ্বীন থাকবে না তখন সূফীগণ কী করবেন? দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তুলনামূলকভাবে দেখা হলে উলামায়ে কেরামের খেদমতসূলভ দায়িত্ব অধিক গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই দিলের মাঝে উলামায়ে কেরামের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা উচিত। মাশায়েখে কেরামের প্রতি অন্তরে মহাব্বত থাকা উচিত। বর্তমানে লোকদেরকে দেখা যাচ্ছে যে, তারা উলামায়ে কেরাম এবং ইলম থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। নিশ্চিতভাবে এটি নেহায়েত আফসোসের বিষয়।

#উলামায়ে কেরাম কাফের বানান না; কাফের বলে দেন

আজকাল সাধারণ মানুষ একটি ভুল ধারণার শিকার। তাদের ধারণা যে, উলামায়ে কেরাম সাধারণ লোককে কাফের বানিয়ে দেন। ভাই! নিজেদের এই ভুল ধারণা শুধরে নিই। উলামায়ে কেরাম সাধারণ মানুষদেরকে কাফের বানান না। কাফের বলে দেন। কেউ যখন কোনো কুফরি কথা বলে কিংবা কুফরি কালিমা উচ্চারণ করে তখন তাঁরা বলে দেন যে, এটা কুফরি কথা। কাজেই উলামায়ে কেরাম কাফের বানান না; কুফরি সম্পর্কে বলে দেন। বলে দেয়াটা তো কোনো অপরাধ নয়। মুখে যদি কোনো দাগ লেগে থাকে, আর কেউ বলে দেয় যে, মুখে দাগ লেগে আছে তাহলে যে বলল সে কোনো দুশমন নয়; সে তো পরম বন্ধু। যদি সে বলে না দিত তাহলে তো মুখে দাগ লেগেই থাকতো। এমনিভাবে আমরা যদি কোনো কুফরি কাজ করি, কিংবা কোনো কুফরি কথা বলি তাহলে যে আমাদেরকে এসম্পর্কে বলে দেবে সে আমাদের বন্ধু হবে; দুশমন হবে না। তাই উলামায়ে কেরাম কাফের বানান না; কোনটা কুফরি কাজ তা বলে দেন।
 

আপনি লগড ইন নাই, দয়া করে লগ ইন করুন

এই বিষয়ে অন্যান্য বই