খুতুবাতে যুলফিকার-২৭ (ঈমানী মৃত্যু লাভের উপায়)

লেখক শায়খ যুলফিকার আহমদ নকশবন্দি হাফিযাহুল্লাহ

অনুবাদক মুহাম্মাদ রাইহান খাইরুল্লাহ

সম্পাদক শাইখ সাঈদ ইবনে আলী ইবনে ওয়াহফি আলকাহতানী

প্রকাশক মাকতাবাতুল আযহার

পৃষ্ঠা সংখ্যা ২০৮

মুদ্রিত মুল্য ৳ ২০০.০০

ছাড়ে মুল্য ৳ ১২০.০০(-40% Off)

রেটিং

ক্যাটাগরি পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলছি। বর্তমান সময়ে রোগীকে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে ডক্টরদের হাতে তুলে দেয়া হয়। এটিও একটি মুসিবত। 
আল্লাহর এই বান্দা তখন তার শরীরে অজ্ঞানের ইনজেকশন পুশ করে। অথচ ডক্টরদের কর্তব্য হলো, সে যদি বুঝতে পারে যে, এ লোক আর বাঁচবে না তাহলে সে যেন কখনই তাকে অজ্ঞান না করে। কেননা অজ্ঞান হয়ে গেলে তার পক্ষে আর কালেমা পড়া সম্ভব হবে না। এ লোক তো কাফের নয়; ঈমানদার মানুষ। ঈমানদার ও কাফেরের কাছে জীবনের সংজ্ঞা ও ধারণা এক নয়। কাফেরদের অভিমত হলো, মৃত্যুপথ যাত্রীকে কষ্ট দিয়ো না। তাকে নির্বিঘ্নে মরতে দাও। 
এ কাজ করাটা মৃত ব্যক্তির ওপর এক ধরনের অবিচার বৈ কিছু নয়। কারণ, এতে তার পরকাল নষ্ট করা হল। তাকে বিনা কালেমায় পরপারে পাঠানো হলো। কাজেই মুমুর্ষ রোগীকে অন্যান্য ওষুধ অবশ্যই দেবে; তবে অজ্ঞান হওয়ার ইনজেকশন দেবে না। তাকে সজ্ঞান রেখো। যেন সে আল্লাহর কালেমা পড়তে পারে। 
এ মুহূর্তে যদি রোগীর আশপাশে তার আত্মীয়-স্বজন থাকে তারা অবশ্যই ডক্টরকে জানিয়ে দেবে যে, আপনি তার জন্যে সম্ভাব্য সকল ওষুধ ব্যবহার করুন। তবে দয়া করে তাকে অজ্ঞান করবেন না।

আপনি লগড ইন নাই, দয়া করে লগ ইন করুন

এই বিষয়ে অন্যান্য বই