হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহ.-এর দাওয়াতি চিঠিপত্র

লেখক সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.

অনুবাদক সানজিদা শারমিন

সম্পাদক মুগনিউর রহমান তাবরীজ

প্রকাশক মাকতাবাতুল আযহার

পৃষ্ঠা সংখ্যা ২০০

মুদ্রিত মুল্য ৳ ২০০.০০

ছাড়ে মুল্য ৳ ১২০.০০(-40% Off)

রেটিং

ক্যাটাগরি দাওয়াত-তাবলীগ, আলোচনা ও ওয়াজ

সূর্য যেসকল দেশে আলো ছড়ায়, চাঁদ যেসব স্থানে মিষ্টি জ্যোৎস্না বিলায়, সে সকল দেশের, সেসব জনপদের অধিবাসীদের কাছে ইসলামের সুমহান বাণী পৌঁছে দিতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিলেন ধর্মপ্রচারকগণ। তাঁরা প্রিয় মাতৃভূমির মায়া ত্যাগ করে, সুদূর আরব থেকে চীন উপকূল মাড়িয়ে এসেছিলেন ভারতসহ অনেক অনারব দেশে। দরদমাখা স্বরে পরম মমতার সাথে মানুষের কাছে পেশ করেছিলেন এলাহি পয়গাম; ফলে ভূত-পূজারী মানুষগুলো মূর্তি উপাসনা ছেড়ে মরু আরবের মিশনারীদের ধর্ম গ্রহণ করে ধন্য হয়েছিল। এজন্যই সাহাবায়ে কেরাম ও ধর্ম-প্রচারকদের কবরগুলো বিশাল পৃথিবীর আনাচে কানাচে আজো বিদ্যমান।
যেসব লোক দীন-ইসলামের ছায়াতলে সমবেত হয়ে ধন্য ও গৌরবান্নিত হয়েছিলেন, একসময় তাদের পরবর্তি জেনারেশন নব্য জাহেলিয়াতে গা ভাসিয়ে দেয়। তাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন রকমের বিদাত-কুসংস্কার; বৈচিত্র ধরনের আঁধারে ছেয়ে যায় তাদের আলোকময় পরিবেশ, অন্ধকারে ঢেকে যায় সেসব আলোকিত সুসাইটি। একসময় মিটিমিটি করে জ্বলতে থাকা ইমান নামক প্রদীপের আলোটুকুও হতে থাকে ম্রিয়মাণ।
এসব কুসংস্কার-বিদাত, দেশ ও সমাজ থেকে উৎখাত করে লোকজনের ইমান সতেজ করতে, তাদের হৃদয় মাঝে স্নিগ্ধ আলোর পরশ বুলাতে, হেদায়াতের মশাল হাতে যুগে যুগে বেরিয়ে পড়েছিলেন উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী আলেম মুবাল্লিগ মুসলিহ-মুযাক্কি
বৃন্দ। সেসব সংস্কারকর্মী মুবাল্লিগদের একজন ছিলেন ভারতের কান্ধালা নিবাসী হযরতজি মাওলানা ইলিয়াস রাহ.। ঊনবিংশ শতাব্দির মধ্যভাগে উম্মাহর হেদায়াতের লক্ষে শুরু করেন একটি ইমানি-তাহরিক, একটি আন্দোলন; দাওয়াত ও তাবলিগ নামে।
ফলস্বরূপ মুসলিম উম্মাহর মধ্যে সৃষ্টি হয় এক নবজাগরণের জোয়ার; তারা ভুলে যাওয়া আত্ম-পরিচয় জানতে পেরে নিজেদের আবিষ্কার করে নতুন ভাবে। ভাবতে থাকে আমরা তো অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মতো সাধারণ নই; বরং আমরা হলাম অসাধারণ এক জাতি, যাদের রয়েছে নিজস্ব তাহজিব-তামাদ্দুন, সভ্যতা-সংস্কৃতি, আচার-আচরণ, শিষ্টাচার ও ধর্মীয় মূল্যবোধ।
সময়ের স্রোতে বিধর্মীদের গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেয়া আমাদের জন্য সমিচীন নয়; বরং এক আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করাই বাঞ্ছনীয়।
সময়ের সাথে সুমহান এ তাহরিকের সীমা বিস্তৃত হতে থাকে; উপ-মহাদেশের ক্ষুদ্র পরিসর পাড়ি দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপসহ প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের অধিকাংশ ভূখন্ডে। বেগবান হতে থাকে এর দাওয়াতি কর্যক্রম। দলে দলে যোগদান করেন আলেম-ওলামা, শ্রমিক-মজদুর ও কৃষক জনতাসহ সকল পেশার ও মতের লোকজন। জন সাধারণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের এমপি-মন্ত্রী সরকারি আমলা ও যুবরাজগণ জুড়েন মহতি এ কাজে। নশ্বর এ জাহানের ক্ষণিকের ক্ষমতার মোহ ত্যাগ করে অবিনশ্বর খোদাকে পেতে, তার প্রতি লোকজনকে ডাকতে মিশে যান সাধারণ জনতার সাথে। উম্মাহকে আল্লাহমুখি করতে পরম মমতায় দাওয়াত দেন নিজের পদ-পদবি ভুলে। তাদের মধ্যে দেখা যায় "কুনো ইবাদাল্লাহি ইখওয়ানা"র বাস্তব চিত্র।
এ মাকবুল দাওয়াতি কার্যক্রমে তারকা-জগতেও সৃষ্টি হয়েছে তুমুল ঝড়; হেদায়াতের বন্যা। ইতোমধ্যে অনেকেই শোবিজের আঁধারে ছেয়ে যাওয়া জমকালো রঙিন জগৎ ছেড়ে কালো বোরখায় নিজেকে সাজিয়ে অন্যকে সাজাবার মিশনে নেমে পড়েছেন। অল-রাউন্ডার হিসেবে খ্যাতি পাওয়া ক্রিকেটারদের মুখে বুকস্পর্শ দাড়ি শোভা পাচ্ছে এ তাবলিগের বদৌলতেই!
তিক্ত হলেও বাস্তব সত্য এই যে, প্রতিটি সংস্কার-আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হয় না, হলেও এতে ঢুকে পড়ে অপছন্দনীয় সব কার্যক্রম। দাওয়াত-তাবলিগের মহতি এ কাজেও বর্তমান সময় প্রবেশ করেছে অনাকাঙক্ষিত সব গর্হিত বিষয়; তাই উম্মাহর অরাজনৈতিক দিগন্ত বিস্তৃত বরকতময় এ প্ল্যাটফর্মে আজ ধরেছে ভাঙ্গন, সৃ্ষ্টি হয়েছে ফাটল। যে কাজের মূল মন্ত্রের একটি হলো অন্য ভাইয়ের প্রতি সুধারণা রাখা সে কাজের কর্মীদের মধ্যে আজ চলছে পরস্পর কাঁদা ছোঁড়া-ছুড়ির ঝড়। সৌহার্দ-সম্প্রিতি ও কল্যাণকামিতার স্থলে জায়গা নিয়েছে, হিংসা-বিদ্বেষ ও অপরের ক্ষতিসাধন। এজন্য প্রতিপক্ষকে গায়েল করতে বিভিন্ন জন ধারস্ত হচ্ছেন ক্ষমতাসীন সেক্যুলার নেতৃবৃন্দের কাছে!
তাই উম্মাহ'র এই ক্লান্তিলগ্নে আমাদের ফিরে যেতে হবে মূল ও গোড়ার দিকে; জানতে হবে সল্প সময়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহান এ কাজের মূল থিওরি-স্পিরিট কি ছিল, দাওয়াতের কাজ করতে হলে, কি কি করণীয় ও বর্জনীয়, সে ব্যাপারে কি পন্থা বাতলে গিয়েছিলেন এর ফাউন্ডার। আমাদের অধ্যয়ন করতে হবে সেগুলো। সব'চে ভালো হয় সেসব যদি জানতে পারি প্রতিষ্ঠাতার কলমের আঁচড়ে কালো হরফের স্বর্ণাক্ষরে লিখে যাওয়া কোন বই-পুস্তকের পৃষ্টা থেকে!
হ্যাঁ আমি তেমনি একটি গ্রন্থ নিয়ে আপনাদের সমীপে হাজির হয়েছি আজ। এর নাম হলো "হযরতজি মাওলানা ইলিয়াস রাহ. এর দাওয়াতি চিটিপত্র" যা সংকলন করেছেন উম্মাহর ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব, আরব-অনারব সর্বত্র যিনি সুপরিচিত, সবার কাছে যিনি অবিসংবাদিত, সেই আলোকোজ্জ্বল নক্ষত্রের সুখ্যাতি বর্ণনা করা আমার জন্যে বোকামি বৈ কিছু নয়। তিনি হলেন
মুফাক্কিরে ইসলাম আল্লামা সৈয়দ আবুল-হাসান আলি নদভি রাহ.। বহির্বিশ্বে দাওয়াতের সুমহান একাজকে ছড়িয়ে দিতে যার শ্রম-সাধনা ছিল অপরিসীম।
.
এগ্রন্থে মোট পয়শট্টিটি চিঠি রয়েছে। যেগুলোর প্রথম চৌত্রিশটি স্বয়ং সংকলক সায়্যিদ আবুল-হাসান আলি নদভির প্রতি প্রেরিত। তার পরের পাঁচটি মিয়াজি মুহাম্মদ ইসা মেওয়াতি ফিরোজপুরি রাহ.-এর বরাবর প্রেরিত। এরপরের বিশটি চিঠি বিভিন্ন মুবাল্লিগ ও সুহৃদদের প্রতি প্রেরিত। বাকি ছয়টি চিঠি মেওয়াতি তাবলিগের যিম্মাদারগনের প্রতি প্রেরিত।
অনূদিত বইয়ের সপ্তম পৃষ্টায় বিজ্ঞ সম্পাদক মহোদয় জানিয়েছেন খুবই উপকারী এ পত্র-সংকলনের অনুবাদ হওয়া কতোটা জরুরি ছিলো; ইলিয়াস রাহ. এর ভেতর উম্মাহ নিয়ে কিরূপ স্নেহ-মায়া, দরদ-ব্যথা ছিল অল্প পরিসরে তাও ফুটিয়ে তুলেছেন।
দশম পৃষ্টায় দক্ষ অনুবাদক মূল্যবান পুস্তিকাটি পাবার মাধ্যম আলোচনা করেছেন। নিজের পক্ষ থেকে পত্রলেখক দাওয়াত-তাবলিগের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস রাহ. এবং সংকলক সায়্যিদ আলি নদভি রাহ.- এর সংক্ষিপ্ত জীবনি সংযুক্ত করেছেন, এটা বইয়ের অনুবাদের সৌন্দর্য হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে; আর এ সংযুক্তিটি বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের জন্য অন্যরকম একটা প্রাপ্তি বলে আমি মনে করি।
♦পত্রসংকলনটি পড়ে যেসব বিষয় জানতে পারবেন!
(১) সংকলিত পত্রসমষ্টিকে দাওয়াত-তাবলিগের সংগঠকের পক্ষ থেকে স্বহস্তে লেখা গঠনতন্র বলা যায়; কারণ সংকলনটির প্রতিটি চিঠির বাঁকে বাঁকে উঠে এসেছে প্রচলিত দাওয়াত-তাবলিগের পরিচিতি, গুরুত্ব-ফজিলত, করণীয়-বর্জনীয়, নিয়ম-নীতিসহ তাবলিগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য ও বিশেষ দিক নির্দেশনা।
(২) সংকলক মুফাক্কিরে ইসলাম নদভি রাহ. বইয়ের শুরুতে লেখা ভূমিকায় বলেন, চিঠিপত্রের এ সংকলনটি শুধু দাওয়াত-তাবলিগের মূলনীতি, আদব-কায়দা, নিয়ম-পদ্ধতি এবং দাওয়াতের প্রাণ হিসেবেই নয়, বরং আপন সুমহান বিষয়বস্তু ও দীনের হাকিকতের বিবেচনায়ও এক অপূর্ব মহামূল্যবান সম্পদ।
(৩) সংকলক নিজ ভূমিকার বেলাভূমিতে বলেন, যারা দাওয়াত তাবলিগের সাথে জুড়ে আছেন, এচিঠিগুলো তাদের সাহস-মনোবল বৃদ্ধি করবে; তাদের কাছে একাজের গুরুত্ব ও ফজিলত শত গুণ বাড়িয়ে দেবে ।
(৪)এসব চিঠি থেকে দাঈ-এ ইসলাম ইলিয়াস রহ. এঁর ইয়াকিন, মহান আল্লাহর প্রতি তাঁর অগাধ আস্থা-বিশ্বাস, তাঁর ইমানি শক্তি, ইসলামের হেফাজত ও দীনের ব্যাপারে তার ফিকির অনুমান করা যায়। তাঁর দীনি অস্থিরতা, আল্লাহর সাথে তাঁর গভির সুসম্পর্ক, দীনের সঠিক বুঝ সম্পর্কেও আঁচ করা যায়। এসব পত্র থেকে শরিয়তের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং দীনের প্রাণ অনুধাবনে তার অবস্থানের সঠিকতাও অনুমান হয়ে যায়।
(৫) প্রতিটি পত্রের শেষে মুফাক্কিরে ইসলাম নাদভি রাহ. পত্রটির সার-সংক্ষেপ উল্লেখ করছেন স্বল্প কথায়; ফলে পুরো কিতাবের রূপরেখা অতি সংক্ষেপে পাঠকের সামনে চলে আসবে,আর সংক্ষেপিত প্রতিটি কথামালাই যেন সাগর-সেচা মুক্তো!
♦সংকলনটি পাঠককে মুগ্ধ করবে কী?
- জি, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সংকলনটি পড়লে পাঠককে মুগ্ধ -অভিভূত করবে! ৩৯নং পৃষ্টার শুরুতে সংকলকের প্রতি লোখকের প্রেরিত পত্রের সূচনা করেন এই লাইনটি দিয়ে,
"শ্রদ্ধেয় মহামান্য, নববি বংশের শোণিত ধারার সুযোগ্য ধারক"
আরেকটি পত্রের সূচনায় লেখেন,
" শ্রদ্ধেয় ও মহাত্মন, বিশিষ্ট গুণী ব্যক্তিত্ব, নববি বংশের শোণিত ধারার গর্বিত বাহক"
আরেকটি চিঠির প্রারম্ভে লেখেন,
" নববি বংশের শোণিত ধারার উদ্দীপ্ত বাহক, সায়্যিদ বংশের ধ্রুবতারা, জনাব শ্রদ্ধেয় দামাত বারাকাতুহুম"
আহ! উপস্থাপনার কি অপূর্ব শৈলী; নববি রক্ত বহনকারী, বয়সে ছোট একজন লোকের প্রতি কি অসাধারণ শ্রদ্ধাবোধ! নদভি রাহ. ও অন্যান্য লোকদের কাছে প্রেরিত পত্রগুলো পড়ে আপনিও অভিভূত হবেন, আজকেই বইটি কিনে নিয়ে অবশিষ্ট পত্রগুলো পড়তে বসুন😍
♦পত্রোল্লিখিত কয়েকটি মুগ্ধকর পয়েন্টের সংক্ষিপ্ত আলোচনা
১। সুধারণা আল্লাহ তা'আলার দরবারে মাকবুলিয়াতের এক নযিরবিহীন অতুলনীয় বস্তু; এর বরকতও নুরানিয়্যাত অদ্ভুত, এটি মুমিনদের অতি সহজলভ্য আকর্ষণীয় মহামূল্যবান পুঁজি। (চিঠিনং- ৩ পৃষ্টা নং-৫৭-৫৮)
২। তুমি আল্লাহ থেকে যেমন আচরণ কামনা করো, বান্দার সাথে সে আচরণই করো(নাদভির কাছে প্রেরিত পত্রনং-৫ পৃষ্টানং-৬৭)
৩। নদভির কাছে প্রেরিত আঠারো নং পত্রে তাবলিগের কর্মীকে কেমন হওয়া চাই তা নিয়ে লিখেছেন " তাবলিগের কর্মী নবোদ্যমী ও দৃঢ় সংকল্পগ্রহণকারী হতে হবে!
.
💔শুনবে কি মনের কথা!?

তাবলিগের পুরো অঙ্গন জুড়ে কর্মীদের মধ্যে আজ চরম অস্তিরতা ও হতাশা বিরাজ করছে, দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে আজ এ বরকতময় জামাতের মুবাল্লিগিনসহ পুরো মুসলিম জনপদ। জেনারেল শিক্ষিত অধিকাংশলোক এবং অল্পসংখ্যক আলেম এতায়াত করছেন নিজামুদ্দিনের; আর জমহুর আলেমদের সাথে মিলে কাজ করা অন্যসব দাঈদেরকে শুরাপন্থী/ পাকিস্থানপন্থী বলে হেয় করছেন/ গালি দিচ্ছেন কথিত এতায়াতপন্থীরা!
শ্রদ্ধেয় ভাই আমার! মোবারক এ কাজের প্রতিষ্ঠাতার নিম্মোক্ত কথাগুলো নিয়ে কিছুক্ষন চিন্তা-ভাবনার ফুরসত আপনার হবে কি?
যেখানে তিনি বলেছেন,
"মুসলমানদের প্রতি সুধারণা পোষণ ও সুন্দর আচরণ খোদায়ী খাজানা লাভের চাবিকাঠি" (বন্ধুর কাছে প্রেরিত পত্র নং-১৩)
"সার্বক্ষণিক মাসালা মাসাইল স্থানীয় প্রাজ্ঞ আলেমদের কাছে জিজ্ঞ্যেস করে নিবে" ( মুবাল্লিগদের কাছে প্রেরিত পত্র নং২)
" আমাদের এ তাবলিগ কারো মনে কষ্ট দেয়া পছন্দ করে না" (পত্রনং-৩)
 

আপনি লগড ইন নাই, দয়া করে লগ ইন করুন

এই বিষয়ে অন্যান্য বই